উপকারি জ্ঞান

হযরত বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দু‘আ,

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَّا يَنْفَعُ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে পানাহ চাই এমন জ্ঞান থেকে যে জ্ঞান কোনো উপকার করবে না।

জীবনের পারিপার্শ্বিকতায় প্রতিদিন আমরা যেসব কাজে সময় ব্যয় করি, দেখা যাবে এগুলোর বিরাট অংশ উপকারী নয়। এমনসব জিনিস জানা বা শেখা অথবা এমন কিছু নিয়ে আলোচনা করে সময় ব্যয় করছি, যেগুলো আমাদের কোনো উপকার করে না। আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন, আঠার পারার প্রথম লাইনে,

قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُوْنَ  الَّذِيْنَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُوْنَ

সফল হয়ে গেল ঈমানদারেরা, যারা নামাযের মধ্যে খুশু-খুযু অবলম্বন করে।

অর্থাৎ পুরোপুরি সুন্নাত তরীকায় নামায পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তিন নম্বর আয়াত,

وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَ

যারা অসার কথাবার্তা, অসার কার্যকলাপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

কোথায় নামায, কোথায় এটা? একটা করা, ‘নামাযে খুশু-খুযু অবলম্বন করো’, আর অন্যটা না করা; অসার কথা বা কাজ যেটার কোনো ফায়দা নেই। না দুনিয়ার লাভ, না আখেরাতের লাভ! আমরা যদি বিশ্লেষণ করি, আমার ঘণ্টাগুলো কোন কাজে গেল—খুব সহজেই বের হয়ে আসবে। দেখা যাবে, অনেক সময় আমার এমন কাজে খরচ হয়েছে যেটা না দুনিয়ার কাজে লাগবে, না আখেরাতের কাজে লাগবে।

Facebooktwitterpinterestmailby feather