শায়খে কাবীর

হযরত বলেন, মক্কা শরীফে হযরত হাফেজ্জী হুযুুর রহমাতুল্লাহি আলাইহি এশরাকের নামাযের পরও দেড়-দুই ঘণ্টা নফল নামায পড়তেন। সালাম ফিরিয়ে বলতেন, ‘আমার পিয়াস লাগছে।’ হযরত পিপাসা শব্দটি জানতেন না। আমি পেছনে বসে থাকতাম। ফল, সেভেনআপ এগিয়ে দিতাম। একবার চিন্তা করলাম, হযরতের এক রুকুই যখন পনেরো মিনিট;এর মধ্যে ফল কিনে ফিরে আসা যাবে। ফল কিনে যখন মসজিদে ঢুকতে গেলাম, দারওয়ান বাধা দিল। আমি বললাম, هَذَا لِشَيْخٍ كَبِيْرٍ جِدًا। দারোয়ান বলে উঠলো, رُحْৃ. اللهُ كَبِيْرٌ। অর্থাৎ, তুমি একজন শায়েখকে কাবীর (كَبِيْرٌ, বড়) বলছো কেন? আল্লাহ সবচেয়ে বড়। দেখেন! শিরকের বিষয়ে আরবরা কত আপোষহীন। এই লোকের জানা ছিল না যে, মানুষের সাথে কাবীর শব্দটি ব্যবহার করা যায়। কুরআনে এর ব্যবহার রয়েছে।

قَالُوا يَا أَيُّهَا الْعَزِيزُ إِنَّ لَهُ أَبًا شَيْخًا كَبِيرًا

‘তারা বলতে লাগল, হে আযীয, তার পিতা আছেন, যিনি খুবই বৃদ্ধ বয়স্ক।’

১২:৭৭

Facebooktwitterpinterestmailby feather