হাফেজ্জী হুযুর রহমাতুল্লাহি আলাইহির নেযামুল আওকাত

হযরত বলেন, হাফেজ্জী হুযুর রহমাতুল্লাহি আলাইহির কথা সহজ : গোনাহ ছাইড়া দেন, সুন্নাত ধরেন। তিনি অনেক সময় বলতেন, চলার সময় কুরআন শরীফের আয়াত পড় অথবা দরূদ শরীফ পড়। বারবার দরূদ শরীফ পড়। হাফেজ্জী হুযুর রহমাতুল্লাহি আলাইহির গল্প অনেকবার তার নিজের মুখেই শুনেছি : ‘আমি যখন মাদরাসায় পড়ি, তখন জায়গীর বাড়ি থেকে নিয়মিত সাহারানপুর মাদরাসায় যেতাম। আর প্রত্যেক বৃহস্পতি ও শুক্রবার হযরত থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহির খানকায় হাজির হতাম। একবার হযরত থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি আমাকে বললেন, ‘তোমার নেযামুল আওকাত পেশ কর।’ মানে কখন কি কর লিখে দাও।

হাফেজ্জী হুযুর রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখে পেশ করলেন; এতটায় ফযরের জন্য উঠি, অযু করি, মসজিদে যাই, নামায পড়ি, ফিরে আসি। হযরত থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বললেন যে, খুব ভালো লিখেছ। কিন্তু একটা সময় কি কর সেটা লেখনি। একটা সময় মানে তুমি যখন জায়গীর বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাও, মাদরাসা থেকে ফের, তখন কি কর? এই যে হাঁটাহাঁটির মধ্যে থাক তখন কি কর? তিনি নিজে লিখে দিলেন, এই সময় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ যিকির করবে।

এখন আপনাদেরকে হাফেজ্জী হুযুর রহমাতুল্লাহি আলাইহির কথা শোনাই। তিনি বলতেন, ‘হযরত থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহির এই কথা অনুযায়ী আমল করে আমার জীবনে কি যে ফায়দা হয়েছে!’ কি হয়েছে? আপনারা বুঝে নিন।’

Facebooktwitterpinterestmailby feather