উলামায়ে কেরামের মর্যাদা – العلماء ورثة الانبياء

উলামায়ে কেরামের মর্যাদা সম্পর্কে হযরত বলেন, হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, العلماء ورثة الانبياء – উলামারা সকল নবীর  ওয়ারিশ। আমার ওয়ারিশ বলেন নাই। সকল নবীদের ওয়ারিশ বলেছেন। আলেমরা হচ্ছেন নবীদের ওয়ারিশ। তাদেরকে তুচ্ছ জ্ঞান করা যাবেনা। ইংরেজি শিক্ষিত অনেক লোক নামায রোযা সকল ইবাদাত করেন কিন্তু উলামাদের সাথে মেশেননা। তাদেরকে ঘৃনা করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ  সাদেকীনদের সাথে থাক। সাদেকীন কারা? হক্কানী উলামায়ে কেরাম, যারা সুন্নাতের উপর আমল করেন, তারাই সাদেকীন।

Facebooktwittergoogle_pluspinterestmailby feather

রামাদান ও লাইলাতুল ক্বদর

প্রফেসর হামিদুর রহমান সাহেব এবং মাওলানা আব্দুল হান্নান সাহেব ২০১৩ সালের রামাদান মাসে উত্তরা মাহফিলে এই বক্তব্য দেন।

Facebooktwittergoogle_pluspinterestmailby feather

Recognizing the blessings of Allah

An excerpt from Monday Mehfil of Uttara. Professor Hamidur Rahman sir discusses Quranic verses about the blessings of Allah Subhanahu wa ta’ala. Towards the end, Maolana Jalal saheb discusses the importance of an Alim or a Faqih; whether or not ‘internet’ can be a substitute of an Alim or a Faqih. Very important discussion for modern Muslims who think internet is a good enough source for learning deen.

Facebooktwittergoogle_pluspinterestmailby feather

ডান হাতে খাওয়া

হযরত বলেন, ডান হাতে খানা খেলেও পেট ভরবে, বাম হাতে খেলেও। কিন্তু সুন্নাত হচ্ছে ডান হাতে খানা খাওয়া। কোনো বৈজ্ঞ্যানিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। আমাদেরকে এটাই অনুসরণ করতে হবে। এক সাহাবী বাম হাতে খাচ্ছিলেন। হযরত উমর(রাঃ) তাকে ডান হাতে খাওয়ার জন্য সতর্ক করলেন। একদিন, দুদিন, তিন দিনের দিন চাবুক দিয়ে মারলেন। তারপর সেই সাহাবী তার হাত তুলে দেখালেন এবং বললেন ‘মুতার যুদ্ধে আমার ডান হাত শহীদ হয়ে গেছে।’ এটা দেখে উমর(রাঃ) কেঁদে কেঁদে তার কাছে মাফ চাইলেন। আর বায়তুল মাল থেকে ভাতা দিয়ে একজন খাদেম নিযুক্ত করে দিলেন, যে তাকে আ্মৃ্ত্যু ডান হাতে খানা খাওয়াবে। তারপরেও বাম হাতে খানা খাওয়ার অনুমতি দেননি।

– হযরতের বাণী সংকলন ‘আত্মশুদ্ধির পাথেয়’ হতে সংগৃহীত

Facebooktwittergoogle_pluspinterestmailby feather

‘দ্বীন’ শব্দের অর্থ

হযরত বলেন, দ্বীন শব্দের আনেক মানে। timthumbএটার এক অর্থ ধর্ম।

(৩ঃ১৯)  ان الدین عند اللہ السلام

আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘নিশ্চয় ইসলামই আমার কাছে একমাত্র দ্বীন’।

আবার আছে,

(৫ঃ৩)  الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ

‘আজকের এই দিনে আমি তোমার দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম।’ এখানে দ্বীন মানে ধর্ম। আমরা পড়ি مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ । এখানে  يَوْمِ الدِّينِ  মানে ‘প্রতিফলের দিন’।   যেদিন প্রতিফল দেয়া হবে। শব্দ একই।   অর্থ ভিন্ন। দ্বীনের আলোচনা মানে আসলে ধর্মের আলোচনা। দ্বীনের আলোচনা মানে প্রতিফল দিবসের আলোচনা। আর পুরো কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা’আলা কেবল ঐ আলোচনাই করেছেন।

– হযরতের বাণী সংকলন ‘আত্মশুদ্ধির পাথেয়’ হতে সংগৃহীত

Facebooktwittergoogle_pluspinterestmailby feather

ইসালে সওয়াব

হযরত বলেন, হযরত থানভী (রাঃ) বলতেন, ‘তোমার যদি পিতামাতার জন্য ইসালে সওয়াব করতে মনে চায় বা দান করতে ইচ্ছে করে, তবে পাচঁ হাজার টাকা নিয়ে রাতের অন্ধকারে বের হয়ে গরিব দুঃখিদের মাঝে বিলিয়ে দাও। তারপর মনে মনে বল- আল্লাহ! এর সওয়াব আমার আব্বা আম্মার কবরে পৌঁছে দিন। এটা সাথে সাথে পৌঁছে যাবে। দু’আর জন্য হাত উঠানো বা জায়নামাজে বসা জরুরি নয়। আল্লাহ পাকের কাছে সরাসরি বলাই দু’আ**।’

– হযরতের বাণী সংকলন ‘আত্মশুদ্ধির পাথেয়’ হতে সংগৃহীত

** মৌলিকভাবে হাত উঠানো জরুরি না হলেও দু’আর সুন্নাত ও আদবসমূহের মধ্যে হাত উঠানোর কথাও এসেছে। দু’আর সুন্নাত ও আদবসমূহ বিস্তারিত  জানতে নির্ভরযোগ্য উলামায়ে কেরামের পরামর্শ নিন।

 

Facebooktwittergoogle_pluspinterestmailby feather

a site based on Islamic lectures of Hazrat Professor Muhammad Hamidur Rahman (DB)