সূরা ফাতেহা

হযরত বলেন, আজকাল নতুন ফেতনা শুরু হয়েছে। মাযহাবের নামে মসুলমানদের ধোঁকা দেওয়া।

‘সূরা ফাতেহা পড়েন ইমাম সাহেবের পড়ার পর?’

‘না আমি কেন পড়ব? ইমাম সাহেবই তো পড়ছেন।’

‘আপনার নামায হয় না, এই যে দেখেন বুখারী শরীফের হাদীস।’

এটা আরেক শয়তানী। আমরা হানাফী মাযহাবের লোক। আমাদের কথা হচ্ছে, ইমাম সাহেবের কিরআত আমাদের কিরআত। এটা হাদীস থেকে বের করা। যারা জামাতে নামায পড়ছে তাদের বিধান হলো ইমাম সাহেবের এক্তেদা করা। আলাদা পড়ার দরকার নেই। এরা এসে আমাদের হানাফী মাযহাবের উপর  ধোঁকা দেয়। নাভীর নিচে কেন হাত বাঁধেন? উপরে বাঁধবেন। সব উল্টা পাল্টা কথা। যারা নামায পড়ে না, তাদের নামাযী বানানোর চেষ্টা নেই। যারা নামায পড়ে তাদের দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে ফেলে দেওয়াই উদ্দেশ্য। মতলবই খারাপ।