‘দেখাদেখি কারতে হেঁ, পুছতে নেহি…’

হযরত বলেন, হরদুই হযরত বলতেন, ‘দেখাদেখি কারতে হেঁ, পুছতে নেহি। উলামাসে পুছো।’ সাধারণ মানুষ একে অন্যকে দেখে আমল করে, আলেমদের জিজ্ঞেস করে না। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন,

فَسۡـَٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ

অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে; ‘আয়াতে বলা হয়েছে, যিকিরকারীদেরকে জিজ্ঞেস কর। আমি এটাকে সহজ করে বলি, মৌলবীদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’

Facebooktwitterpinterestmailby feather

প্রফেসর হযরতের সাম্প্রতিক বয়ান – ১৮ মে ২০১৬, শ্যামলী, ঢাকা

**অডিও কোয়ালিটি ভালো না হবার জন্য দুঃখিত। হেডফোন ব্যবহার করুন।

ডাউনলোড

Facebooktwitterpinterestmailby feather

প্রফেসর হযরতের সাম্প্রতিক বয়ান – উত্তরা – মাসজিদ-আল-মাগফেরা

হযরত প্রফেসর হামিদুর রহমান সাহেব দামাত বারাকাতুহুম ২৫শে ডিসেম্বর উত্তরা মসজিদ আল মাগফেরায় এই বয়ান দেন।

ডাউনলোড

Facebooktwitterpinterestmailby feather

শুক্রবারের ফযরের সুন্নত

হযরত বলেন, হরদুঈ হযরতের বাংলাদেশে প্রথম সফরের কথা। বৃহস্পতিবার রাত্রে হযরতের সাথী আলেমরা বলছিলেন ফযরের সময় প্রথম রাকাতে সূরা আলিফ লাম সেজদা এবং দ্বিতীয় রাকাতে সূরা দাহার দিয়ে নামায পড়াতে হবে। হাফেজ সাহেব খোঁজা শুরু হলো। আনেক হাফেজ সাহেব। কিন্তু হযরতের সামনে নামায পড়তে কেউ রাজি হয়না। এখন মক্কা শরীফ গেলে দেখা যায় এই দুই সূরা দিয়ে শুক্রবারের ফযর নামায পড়া হচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমাদের উত্তরা ৩নং সেক্টর মসজিদে এই দুই সূরা দিয়ে শুক্রবারের ফযর পড়া হচ্ছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নত জিন্দা হচ্ছে।

Facebooktwitterpinterestmailby feather

নৈরাশ্যকে আশায় পরিণত করে দিয়েছে…

হযরত বলেন, মকতবে একটি শিশু ছয় বছর বয়সেই কায়দা পড়া শুরু করে। ছয় বছরের বাবুকে কি আমরা তাবলীগে নিতে পারবো? তাঁদের তালীমের উত্তম বয়স হল এটা। হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহঃ বয়সে তুলনামূলকভাবে বড় হযরতজীর চেয়ে বড় ছিলেন। বড় হযরতজী বারবার হযরত থানভী রহঃ -এর কাছে যেতেন। হযরত থানভী রহঃ-এর বিখ্যাত বাণী, ‘মাওলানা ইলিয়াস আমাদের নৈরাশ্যকে আশায় পরিণত করে দিয়েছে। আমরা চিন্তা করতাম আমরা ঘরে ঘরে যাই না কেন। আল্লাহ্‌ তা’আলা মাওলানা ইলিয়াস রহঃ-এর মাধ্যমে ঘরে ঘরে দাওয়াত পৌঁছানোর সিলসিলা চালু করেছেন। এজন্য মিলেমিশে কাজ করা উচিত।’

Facebooktwitterpinterestmailby feather

খাঁটি ওলামায়ে কেরামের সোহবত ও মক্তব প্রতিষ্ঠা

প্রফেসর হযরত (দামাত বারাকাতুহুম) গুলশানে এক ঘরোয়া মাহফিলে এই বক্তব্য রাখেন।

Facebooktwitterpinterestmailby feather

উলামায়ে কেরামের মর্যাদা – العلماء ورثة الانبياء

উলামায়ে কেরামের মর্যাদা সম্পর্কে হযরত বলেন, হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, العلماء ورثة الانبياء – উলামারা সকল নবীর  ওয়ারিশ। আমার ওয়ারিশ বলেন নাই। সকল নবীদের ওয়ারিশ বলেছেন। আলেমরা হচ্ছেন নবীদের ওয়ারিশ। তাদেরকে তুচ্ছ জ্ঞান করা যাবেনা। ইংরেজি শিক্ষিত অনেক লোক নামায রোযা সকল ইবাদাত করেন কিন্তু উলামাদের সাথে মেশেননা। তাদেরকে ঘৃনা করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ  সাদেকীনদের সাথে থাক। সাদেকীন কারা? হক্কানী উলামায়ে কেরাম, যারা সুন্নাতের উপর আমল করেন, তারাই সাদেকীন।

Facebooktwitterpinterestmailby feather

a site based on Islamic lectures of Hazrat Professor Muhammad Hamidur Rahman (DB)

প্রফেসর হযরত

FREE
VIEW